আল্লাহ তায়ালার জন্য সমস্ত প্রশংসা যিনি জগত সমূহের মালিক। হাজারও দরূদ ও সালাম জানাই নূর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে, যিনি খাতামুন নাবীয়্যিন, সায়্যেদুল মুরসালীন, অসংখ্য ও অগণিত মু'জিযার অধিকারী, যাকে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন শরীফে নূর ও জগতসমূহের রহমত বলে ঘোষনা করেছেন।
আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, "আমি আমার নিজের চিহ্নসমূহ বিশ্ব জগতে ও মানুষের শরীরে প্রকাশ করেছি, উদ্দেশ্য এই যে, সত্য যেন তাদের কাছে প্রকাশ পায়।" (হামিম সেজদা-৫৩)। এ ছাড়া হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, "যে ব্যক্তি নিজেকে চিনতে পেরেছে, সে আল্লাহকে চিনতে পেরেছে।" এই দৃষ্টিকোণ হতে সাধক নিজের মধ্যে তার পরমময়কে খুঁজে বেড়ায়। আউলিয়া কেরামের বাণী 'যা আছে বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে তা আছে মানবভান্ডে'। সুতরাং নিজকে দেখার মাধ্যমে স্রষ্টার উপলব্ধি করাই হলো আত্মদর্শন। অত্র পুস্তকে এই বিষয়ে কিছুটা আলোকপাত করা হয়েছে। প্রায় প্রতিটি বিষয়ের দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যতটুকু প্রকাশ করা যায় তা প্রকাশিত হয়েছে এবং বাকিটুকু পীরের নিকট হতে আয়ত্ব করার অনুরোধ করা হয়েছে। কেননা কিছু জিনিস আছে যা সত্য কিন্তু প্রকাশ করা যায় না। কবির ভাষায় “সত্য সত্য সত্য যে সর্বদা, বোঝাবার নহে মাত্র বুঝিবারই কথা।
পরিশেষে গ্রন্থটি সম্পাদনায় যারা ভূমিকা রেখেছেন তাদেরকে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। গ্রন্থটি প্রকাশে শব্দগঠন, বানান ইত্যাদি কাজে ভুল থাকা কোন অসম্ভব কিছু নয়। সে ভুলগুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখে পরামর্শ দেয়ার অনুরোধ রইলো। পরবর্তী সংস্করণে তা সংশোধন করবো ইনশাআল্লাহ। বইটির মতামত আপনাদের বিষয়ে একান্ত কাম্য। ronychisty@yahoo.com এই ঠিকানায় ই-মেইল করলে খুশি হবো।
