সুফিদর্শনে তরিকতের তত্ত্ববিধান
অভিমত ,সকল প্রশংসা সেই মহান আল্লাহর। যিনি আলম সমুহের রব এবং তাঁর সাথে তাঁর হাবীব হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর। যিনি যুগে-যুগে প্রবাহমান, মানব জাতির হেদায়েতকারী রূপে। এবং তাঁর তথা নবি মুহাম্মদ (সাঃ) এর আহলে বাইয়্যেতের প্রতি।অক্ষরাতীত নূরীকোরআন হলো মানুষ, যাকে চেনানর জন্য দীর্ঘ তেইশ বৎসর কোরআন নাযিলের কারণ। আল্লাহ মানুষের মধ্যে এবং মানুষ মোহনায় এসে স্বীয় ইচ্ছা পূরণ হলো বিধায়, "ওয়া খাতামান্ নাবিয়্যিন" ঘোসনা দেয়া হলো। তাই মানুষতত্ত্ব জানা-চেনা হলেই খোদাকে চেনা হয়ে যায়। এ নিগুঢ়তত্ত্ব কথাটি দ্বীনে মুহাম্মদীর মূল উদ্দেশ্য। খোদাকে চেনা-জানা সহজ কিন্তু বিশ্বাস করা পাহাড়সম কঠিন। সুফী সাধকগণ এবং তাদের অনুসারীগণ খোদাকে খোদের মাঝেই সন্ধান করার পক্ষপাতি বিধায়, মানুষতত্ত্বটি তাদের মূখ্য বিষয়। সেই ভাবনায় আধ্যাত্মিক জ্ঞান পরিমন্ডলে তারা সার্থক ডুবারু। সুফী সাধকগণ সেই-কে এই-এর মধ্যে তথা বিমূর্তকে মূর্তের মাঝে দর্শন করে থাকেন। এবং তাঁর-ই প্রেমে অবগাহণ করে মহামিলন বা ঐক্যতার জগতে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়।সেই জগতের একজন হলো আমার গুরুভাই দেওয়ান মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন আল চিশ্রী নিজামী আদ্দাহারী, জয়পাড়া, ঢাকা। তিনি'র "সুফীদর্শনে তরীকতের তত্ত্ববিধান" নামক বইটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি রচনা। "আনোয়ার" মানেই হলো আলো। এ বইয়ে তাঁর সেই আলোর-ই বহিঃ প্রকাশ ঘটেছে। তরীকত জগতের যারা শুদ্ধ সুফীবাদের সন্ধানে আছেন এবং সে পথের পথিক রয়েছেন, তাদের জন্য এই বইটি সঠিক জ্ঞান এবং পথ নির্দেশনা দান করবে বলে আমি মনে করি। তাই এই বইটির বহুল প্রচার ও প্রসার কামনা করি। সেই সাথে লেখককে সাধুবাদ জানাই এবং তার দীর্ঘায়ু কামনা করি।
