আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যেদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিন নূরিল আনওয়ারি ওয়া সিররিল আসরারি ওয়া সাইয়্যেদিল আবরারি ওয়ালিহি ওয়াসাল্লিম
আল্লাহ তায়ালার জন্য সমস্ত প্রশংসা যিনি জগত সমূহের মালিক। হাজারও দরূদ ও সালাম জানাই নূর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে, যিনি খাতামুন নাবীয়্যিন, সাইয়্যেদুল মুরসালীন, অসংখ্য ও অগণিত মু'জিযার অধিকারী, যাকে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন শরীফে নূর ও জগতসমূহের রহমত বলে ঘোষনা করেছেন।
ইসলামের দুটি দিক, একটি বাহ্যিক এবং অপরটি আভ্যন্তরিণ। বাহ্যিক দিককে বলা হয় শরিয়ত এবং আভ্যন্তরিণ দিককে বলা হয় মারেফত বা আধ্যাত্মিক দিক। এরই ধারাবাহিকতায় শরিয়তের এলেমকে বলা হয় জবানী এলেম এবং আধ্যাত্মিক এলেমকে বলা হয় কলবি এলেম। আধ্যত্মিকতাকে আবার সূফীবাদ বা তাসাউফ বলেও অভিহিত করা হয়।
আধ্যঅত্মিকতা হচ্ছে ধর্মের প্রাণ। অথচ এই আধ্যঅত্মিকতা থেকে মানুষ দিন দিন দূরে সরে যাচ্ছে। আবার অনেকে তো আধ্যাত্মিকতা বাদ দেওয়ার পায়তার চালাচ্ছে। যার ফলে মানুষের আত্মিক উন্নয়ন ব্যহত হচ্ছে। তাযকিয়ায়ে নফস বা আত্মিক পবিত্রতা যা মানুষকে সাধনা বা বন্দেগীর উচ্চ শিখরে পৌঁছতে সাহায্য করে। আত্মিক পরিশুদ্ধতা মানুষের ইহকালীন ও পরকালীন জীবনে সফলতা বয়ে আনে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ক্বদ আফলাহা মান যাক্কাহা, ওয়াক্বদ খাবা মান দাচ্ছাহা অর্থাৎ যে নিজেকে শুদ্ধ করে, সেই সফলকাম হয় এবং যে নিজেকে কলুষিত করে, সে ব্যর্থ মনোরথ হয় (সূরা শামস: ৯-১০)
আধ্যাত্মিক সাধনা অজানাকে জানায় এবং অচেনাকে চেনায়। আধ্যাত্মিক সাধনা মানুষকে গড়ে তোলে ইনসানে কামিল বা পরিপূর্ণ মানুষরূপে। মানুষের ভেতরে রয়েছে ষড়রিপুর চক্রান্ত। কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য এগুলোর চক্রে পড়ে মানুষ জড়িয়ে পড়ে অনেক পাপ কাজে। এছাড়া মানুষের অন্তর হয়ে যায় কলুষিত। আত্মার এই কলুষিতকে পরিশুদ্ধতা করতে আত্মিক
