মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিনের জন্য সমস্ত প্রশংসা, যিনি মহাবিশ্ব তথা কুলমখলুকাতের একক মালিক এবং যিনি অসীম, চিরজীবী- চিরস্থায়ী, মহামহিয়ান, ক্ষমাময়, দয়াময়, দয়ালদাতা, করুণাময় আল্লাহ। সেইসাথে অসংখ্য দরুদ ও সালাম জানাই মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সমীপে যিনি খাতামুন নাবীয়্যিন, সায়্যেদুল মুরসালীন এবং যাকে আল্লাহপাক নূর ও বিশ্বজগতের রহমত বলে পবিত্র কোরান শরীফে ঘোষণা করেছেন।
আমি স্মরণ করছি আমার মান্যবর মুর্শিদ কেবলাকে যাঁর পদযুগলে সবকিছু সঁপে দিয়েছি, আমার সেই মুর্শিদ কেবলার নাম শাহ সূফী মিনাজউদ্দিন আল চিশতী নিজামী (র.), ঝিটকা শরীফ, উপজেলা- হরিরামপুর, জেলা-মানিকগঞ্জ। আমার শ্রদ্ধেয় দাদা হুজুরের নাম, শাহ সূফী মোঃ ইয়ার আলম আল চিশতী নিজামী (র.), ঝিটকা শরীফ, উপজেলা-হরিরামপুর, জেলা-মানিকগঞ্জ। স্মরণ করছি আমার মা বাবাকে। আমি তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।
হে রাব্বুল আলামিন! একমাত্র আপনিই এই মহাবিশ্ব জগতের প্রভু, মহামহিমান্বিত প্রতিপালক। আমি আপনার একজন অতিক্ষুদ্র দাস হয়ে" মাজারের মর্যাদা ও গুরুত্ব" গ্রন্থটি লিখতে ইচ্ছা পোষণ করছি। হে মাবুদ! আপনি আমাকে সে তৌফিক দান করুন।
কিছু মানুষ আছেন, যারা পূর্ব থেকেই ওলি-আউলিয়াদের মাজার মানতে রাজি নন, এ বিষয় নিয়েই এই বইতে আলোচনা করা হবে।দলিলের আলোকে, সাহাবীগণ এবং ফকিহগণের দৃষ্টিতে মাজারের পক্ষে শুধু সত্য কথাগুলো উপস্থাপন করা হবে মাত্র। কিন্তু কারও বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা কোন বৈপরীত্যভাব নিয়ে বিদ্বেষপূর্ণ কোন কথা আমার এ বইতে লেখা হবে না। আমার পূর্বের লেখা বইগুলোতেও কোন ব্যক্তিকে ছোট করার উদ্দেশ্যে কোন কথা লেখা হয়নি।
আমার এই পুস্তক লেখার জন্য যারা আমাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেছে, তারা হলো আমার ছেলে এম, এ, রাসেল চিশতী, মেয়ে রোমানা আফরোজ এবং জামাতা মোঃ রাকিব হোসেন চিশতী। এদের প্রতি আমার গভীর স্নেহ এবং দোয়া রইল।
এখানে আমার আরও কিছু কথা একান্তভাবেই বলা উচিত যে, তা হল- আমার খুবই অপ্রতুল জ্ঞান এবং শিক্ষা-দীক্ষা নাই বললেই চলে, এমতাবস্থায় আমি এ বইটি লিখতে বসলাম। সেইজন্য আমার লেখার মধ্যে অনেক জায়গায় ভুল থাকতে পারে, এটাই স্বাভাবিক। এই ভুলগুলো ক্ষমা সুন্দর হৃদয় দিয়ে বিবেচনা করে এ বিষয়ে সদয় পরামর্শ দেয়ার জন্য অনুরোধ থাকলো। সে অনুযায়ী অবশ্যই তা সংশোধন করা হবে ইনশাআল্লাহ।
