আলহামদুলিল্লাহ! প্রকাশিত হলো হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (র)-এর বিভিন্ন মাওয়ায়েয থেকে সংকলিত "ঈদে মীলাদুন্নবী কী শরয়ী হাইসিয়ত”-এর বঙ্গানুবাদ "শরীয়তের দৃষ্টিতে ঈদে মীলাদুন্নবী।"
জগদ্বিখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ ও মনীষী হযরত থানভী (র) এ গ্রন্থে প্রচলিত ঈদে মীলাদুন্নবীর ওপর কুরআন, হাদীস ও যুক্তির আলোকে অত্যন্ত সারগর্ভ আলোচনা করেছেন। আমাদের দেশে ঈদে মীলাদুন্নবীর নামে বিভিন্ন বিদ'আত ও কুসংস্কার যেভাবে বিস্তার লাভ করছে, এ পরিস্থিতিতে গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় অনূদিত হওয়া অতীব প্রয়োজনীয় ছিলো। মাওলানা আবু তাহের রাহমানী গ্রন্থটির বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করে দীনের অতি বিরাট খিদমত আনজাম দিয়েছেন। এ ধরনের একটি মূল্যবান গ্রন্থ বাংলা ভাষায় প্রথম অনুবাদের গৌরব তাঁর এবং তা প্রকাশ করার গৌরব আমাদের।
এতে সন্দেহ নেই যে, মহানবী (সা) ও খোলাফায়ে রাশেদার যুগে এবং তৎপরবর্তী ছয় শতাব্দীকাল পর্যন্ত ঈদে মীলাদুন্নবী বা বিশ্বনবীর জন্মোৎসব উদযাপনের কোন অস্তিত্ব ছিলো না। তা এসেছে তাঁদের যুগের অনেক পরে। ফলে এ নিয়ে বিশেষ করে ভারত উপমহাদেশের মুসলমানগনের মধ্যে বিরোেধ ও বিতর্কের অন্ত নেই। ইসলামী শরীয়তে বিষয়টির যৌক্তিকতা ও গ্রহণযোগ্যতা কতটুকু, এ প্রশ্নের চূড়ান্ত সমাধান আমরা আশা করি সুপ্রিয় পাঠক এ গ্রন্থে খুঁজে পাবে।
উল্লেখ্য, মাওলানা আবু তাহের রাহমানী ইতিপূর্বে হযরত থানভী (র)-এর বিভিন্ন মাওয়ায়েয থেকে সংকলিত “হুকুকে মু'আশারাত”-এর অনুবাদ করেছেন। যা “কুরআন হাদীসের আলোকে পারিবারিক জীবন" নামে বাড কম্প্রিন্ট এন্ড পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত হয়ে পাঠক সমাজে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে সমাদৃত হয়েছে। বর্তমান "শরীয়তের দৃষ্টিতে ঈদে মীলাদুন্নবী" গ্রন্থটিও তেমনিভাবে সমাদৃত হলে আমাদের সকলের প্রচেষ্টা সার্থক হবে বলে মনে করি। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।