দেখে নাও এই ভণ্ডকে অমৃতের মধ্যে পঁচা লাশ ১৫ আজানের সঙ্গে সঙ্গে খানা খাইলেই কি প্রিয় বান্দা হওয়া যায়? তা হলে তো অলিম্পিকের দৌড় প্রতিযোগিতার মতো কান খাড়া করে থাকতে হয়। আসলে প্রতীকী ইফতারটির মাধ্যমে আসল ইফতারটি বুঝতে হবে। একটি না থাকলে অপরটি বোঝা যায় না। এ জন্যই ইফতার, রোজা, নামাজ, হজ, জাকাত, কোরবানি ইত্যাদি প্রতিটি বিষয়ের দুইটি দিক থাকে: একটি জাহেরি, অপরটি বাতেনি। জাহেরিটিকে ভালো করে বুঝতে পারলেই বাতেনিটি ধরা পড়ে যায়। ইফতারের মতো চোখে না পড়ার বিষয়টিতেও যে বাতেনি ইফতারটি লুকিয়ে আছে মহানবির এই হাদিসটি আমাদের চোখদুটো খুলে দেয়। যদি বাতেনি ইফতারটির কথা মহানবির হাদিসে পাওয়া না যেত, তা হলে আমরা বুঝতেই পারতাম না যে, ইফতারের মতো বিষয়টিতেও বাতেনি ইফতার বলে কিছু থাকতে পারে। অধম লিখক এই হাদিসটি জানবার আগেই খাজা বাবার রচিত মাকতুবাত হতে বাতেনি ইফতারের বিষয়টি পড়েছিলাম। খাজা বাবা তাঁর মুরিদ ও খলিফা বাবা কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকিকে উপদেশের ভাষায় বলছেন যে, বাবা কুতুব উদ্দিন, প্রথমে ইফতার করতে শেখার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাও তারপর দেখতে পাবে রোজা এবং তারপর তো রোজাই রোজা। এখানে রোজা বলতে একটি বিশেষ সময়ের জন্য পানাহার হতে বিরত থাকতে হয়। সে রকম আসল রোজাটি হাসিল করতে পারলে দুনিয়ার সর্বপ্রকার লোভ-মোহ হতে মুক্তি লাভ করা যায়। রোজার জাহেরি এবং বাতেনি বিষয়গুলো কোরান এবং হাদিসের দলিল দিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন বাংলার বিখ্যাত ইসলাম গবেষক এবং সুফিসাধক হজরত সদর উদ্দিন আহমদ চিশতি তাঁর রচিত সিয়াম দর্শন নামক বইটিতে। এই সিয়াম দর্শন বইটি ধর্মীয় গবেষকদের পড়া উচিত বলে মনে করতে চাই। কারণ তিনি ইফতার ও রোজার বিষয়টি কোরান এবং হাদিস হতে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ ফুটিয়ে তুলেছেন। কোরবানির বিষয়টিও একই রকম। পশু কোরবানি এবং আমিত্বের কোরবানি। পশু কোরবানির মধ্য দিয়েই আমিত্বের কোরবানিটি যে আসল এবং মূল কোরবানি, ইহা পরিষ্কার বোঝা যায়। তাই অনুষ্ঠানের প্রয়োজন আছে। পশু কোরবানির মতো যদি কোনো অনুষ্ঠান না থাকত, তাহলে আমিত্বের কোরবানি করার বিষয়টি হয়ে পড়ত সম্পূর্ণ বিমূর্ত। কোরবানির বিষয়টি কোরান-হাদিসের দলিলসহ বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ লিখেছেন বাংলার বিখ্যাত ইসলাম গবেষক হজরত শাহ সুফি সদর উদ্দিন আহমদ চিশতি। বইটির নাম কোরবানী।
(সুফিবাদ আত্মপরিচয়ের একমাত্র পথ ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা-১১০-১১২)
দেখে নাও এই ভণ্ডকে অমৃতের মধ্যে পঁচা লাশ ১৭ শয়তান ধোঁকা দেয়। ১৯ বার আছে না? আমি কিন্তু লেখাপড়া জানি না তিন বার মেট্রিক দিয়া ফেল। তো আমি ১০/১৫ বার বানান কইরা কইরা পড়লাম। পইড়া আমি দেখলাম একটি থাইকা আমি নিজে নিজে ইচ্ছা করলে বের হইতে পারব না। একটি ধোঁকা থাইকা আমি নিজে ইচ্ছা করলে বের হইতে পারব না যদি (আমার কামেল মোর্শেদ) বাবা জাহাঙ্গীরের রহমত না থাকে।
বাবার বই পড়তে হইব। বাবার বই পড়বেন। আরে মহানবী ১৫ বছর ১ মাস ১৯ দিন ধ্যান সাধনা করছেন কোনো অজিফা পাঠ কইরা? বাবা জাহাঙ্গীর কোনো অজিফা পইড়া ধ্যান সাধনা করছে? হৃদয়ের মধ্যে ভালোবাসা থাকতে হইব। বাবা জাহাঙ্গীরের বই পড়তে হইব, গবেষণা করতে হইব। এছাড়া কোনো মুক্তি নাই। বাবা জাহাঙ্গীর নিজেই তো কইয়া গেছে হাজার বছরে আর এমন জাহাঙ্গীর হবে না। তাঁর বইয়ের মাঝে আছে না? বাবার বইগুলো পড়বা । বাবার কথাগুলো শুনবা, নিরবে একা ঘরে শুনবা। বইসা বইসা দেখবা মনের অজান্তেই চোখ দিয়া পানি আসব। বাবার বইগুলো পড়বা ।
আমি কী কইছি, আমারে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেইখ। জাবের আমারে ধইরা লইয়া আইছে। আমার কোনো যোগ্যতা নাই।
"দয়াল বাবা জাহাঙ্গীর, দয়াল বাবা জাহাঙ্গীর।”
বক্তব্যঃ ২- বাবা জাহাঙ্গীরের বইগুলো কথা বলে ।
তো বাবা আপনাদের সামনে মাঝে মধ্যে একটা গান গাইত কিছুদিন আগে হয়ত বছর দুয়েক আগে। খেয়াল করছেন আপনারা কখনো? এই গানটা যে, চেশমে বাহানে আলে তো এই গানটা কিন্তু কোনো দলিলের গান না, এই গানটা হলো ভালোবাসার গান। নীতি, আদর্শ, জ্ঞান এগুলো অর্জন করার জন্য গুরুর প্রয়োজন পরে না। আমার বাবারে যখন প্রেসমেকার বসায় তখন একজন বইসা থাইকা বলতাছে, “প্রেসমেকারটা বসাক, দেখেন কী হয়!” তো প্রেসমেকার বসানো শেষ। তারপর সে বলতেছে, “দেখেন তিন ঘন্টার মধ্যে কী হয়!”। মানে, সে আমার বাবারে অভিশাপ দিচ্ছে। সে বলতেছে, “তিন ঘন্টার মধ্যে কী হয়।" এই কথাটা বইলা সে হাসপাতাল থাইকা চইলা গেল। কারণ ভক্তের মধ্যে আবু জেহেল আছে আবার ভক্তের মধ্যেই মাওলা আলী আছে। জঙ্গে জামাল যুদ্ধেও আয়েশা, মাওলা আলীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে দাঁড়াইছিল সেই যুদ্ধেও আয়েশা পরাজিত হইছে। কিন্তু মাওলা আলী তাঁর সমস্ত কিছু বুঝাইয়া দিছে। ভক্তদের মধ্যে এই
কথাও হয়